• ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩, বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Cold

কলকাতা

বিদায় নিতে নারাজ শীত! আরও চার দিন ঠান্ডার সতর্কতা

কলকাতায় টানা দুদিন তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রির ঘরে নেমে এসেছে। দিনের ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেকটাই কম। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আরও প্রায় চার দিন শীতের আমেজ বজায় থাকবে।এর আগে শেষবার ২০২৩ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি কলকাতার তাপমাত্রা নেমেছিল ১৪.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। তার পর আবার এই মরশুমের ফেব্রুয়ারিতে তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রির ঘরে নামল। পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির কাছাকাছি নেমে যেতে পারে। তবে উত্তরবঙ্গে তাপমাত্রার খুব বেশি পরিবর্তন হবে না।উত্তুরে হাওয়ার প্রভাবে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে শীতের আমেজ বেড়েছে। ঠান্ডা হাওয়ার কারণে শহরের দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রিরও বেশি কম। রবিবার শহরের তাপমাত্রা ছিল প্রায় ১৪ ডিগ্রি। আকাশ পরিষ্কার রয়েছে। উপকূল ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ১৩ থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করবে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির কাছাকাছি নেমে যেতে পারে বলে পূর্বাভাস।সোমবার থেকে তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। তবে সেই বৃদ্ধি দুই থেকে তিন ডিগ্রির বেশি হবে না।অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই আগামী তিন থেকে চার দিন কিছু এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় তেমন কোনও পরিবর্তন হবে না। দার্জিলিংয়ের পার্বত্য এলাকায় তাপমাত্রা ৫ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে। মালদহ-সহ নিচের দিকের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ১৩ থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২৬
রাজ্য

কাঁপুনি ধরানো শীতের থাবা! কলকাতা থেকে জেলা—জমাট ঠান্ডায় নাজেহাল বাংলা

নিজস্ব সংবাদদাতা: পৌষ মাসের শেষ লগ্নে হাড়কাঁপানো ঠান্ডায় কাঁপছে গোটা বাংলা। উত্তুরে হাওয়ার দাপটে রাজ্যজুড়ে জাঁকিয়ে বসেছে শীত। কলকাতা থেকে শুরু করে জেলাসর্বত্রই কনকনে ঠান্ডায় নাজেহাল সাধারণ মানুষ। ভোর ও রাতের দিকে ঠান্ডার প্রকোপ সবচেয়ে বেশি অনুভূত হচ্ছে। শ্রীনিকেতনে তাপমাত্রা নেমে গিয়েছে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আপাতত এই নিম্নমুখী তাপমাত্রার ধারা বজায় থাকবে।শনিবার সকালে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশ কিছুটা কম। তবে শহরের চেয়ে জেলার অবস্থা আরও কঠিন। বিশেষ করে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে ঠান্ডার দাপট বেশি। শ্রীনিকেতনের পাশাপাশি বাঁকুড়াতেও তাপমাত্রা নেমে এসেছে ৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।দক্ষিণবঙ্গে যেখানে পারদ পতন অব্যাহত, সেখানে উত্তরবঙ্গে শীতের সঙ্গে জুটেছে ঘন কুয়াশা। দার্জিলিং সহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বেলা বাড়লেও কুয়াশা কাটছে না। ঘন কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় যান চলাচলে সমস্যা দেখা দিচ্ছে। প্রশাসনের তরফে গাড়িচালক ও পর্যটকদের বাড়তি সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী পাঁচ থেকে ছয় দিন আবহাওয়ার এই অবস্থার বড় কোনও পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। অর্থাৎ, আরও কয়েকদিন জাঁকিয়ে শীত উপভোগ করতে পারবেন শীতপ্রেমী বাঙালিরা। যদিও দিনের বেলায় আকাশ পরিষ্কার থাকলে রোদ উঠলে ঠান্ডার অনুভূতি কিছুটা কমতে পারে। তবে সূর্য ডোবার সঙ্গে সঙ্গেই ফের কনকনে ঠান্ডা ও উত্তুরে হাওয়ার দাপট বাড়বে। উত্তরবঙ্গের পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতেও আগামী চার-পাঁচ দিন কুয়াশার প্রভাব থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

জানুয়ারি ১০, ২০২৬
রাজ্য

শীত কি এবার বিদায় নিতে ভুলে গেল? কলকাতায় ফের ধস নামাল পারদ

শীতের বিদায় এখনও দূরে। ঘুমপ্রিয় মানুষদের যেন আরও কিছুদিন বাড়তি সময় দিল শীত। সোমবার সকাল থেকেই রাজ্যজুড়ে দাপট দেখাচ্ছে উত্তুরে হাওয়া। ভোর পেরিয়ে সকাল ছয়টা বাজলেও আলো ঠিকমতো ফুটল না। শীতের আমেজে আঁধার যেন ঘুম ভাঙাতে চায় না। বেলা বাড়লেও কুয়াশার চাদর সরছে না বহু জায়গায়। এই আবহেই কলকাতায় আরও আড়াই ডিগ্রি কমল তাপমাত্রা।সোমবার আলিপুর আবহাওয়া দফতরের রেকর্ড অনুযায়ী, শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। আবহাওয়াবিদদের মতে, ঝঞ্ঝা বিদায় নিচ্ছে, ফলে আগামী কয়েক দিনে ঠান্ডা আরও বাড়বে। শহরজুড়ে কাঁপুনি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী তিন থেকে চার দিনে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।বিশেষ করে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে শীতের দাপট আরও বেশি হবে। সেখানে তাপমাত্রা ৭ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শীতের এই দফা বেশ কিছুদিন স্থায়ী হতে পারে বলেই ইঙ্গিত হাওয়া অফিসের।উল্লেখ্য, বর্ষশেষের ভোরে কলকাতায় পারদ নেমেছিল ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। নতুন বছরের শুরুতে অবশ্য তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়ছিল। মাত্র চার দিনের ব্যবধানে প্রায় তিন ডিগ্রি বেড়ে রবিবার তাপমাত্রা পৌঁছেছিল ১৪ ডিগ্রিতে। তবে সেই স্বস্তি দীর্ঘস্থায়ী হল না। ফের ঠান্ডার গ্রাফ নামতে শুরু করেছে। খুব বড় পরিবর্তন না হলেও আগামী দিনে তাপমাত্রা অন্তত তিন থেকে চার ডিগ্রি কমতে পারে বলে পূর্বাভাস।সোমবার দার্জিলিংয়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৩.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বহরমপুর, কল্যাণী ও শ্রীনিকেতনে পারদ ঘোরাফেরা করেছে ৯ ডিগ্রির আশেপাশে। বাঁকুড়া ও ব্যারাকপুরেও শীতের দাপট স্পষ্ট। বর্ধমান ও আসানসোলে তাপমাত্রা ছিল প্রায় ১০ ডিগ্রি। দমদম ও মালদহে পারদ নেমেছে ১১.২ ডিগ্রিতে। কলকাতার আলিপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

জানুয়ারি ০৫, ২০২৬
রাজ্য

কলকাতায় এক ধাক্কায় নামল পারদ! ডিসেম্বরে ফের ‘কোল্ডেস্ট ডে’, কাঁপছে শহর

ডিসেম্বরের শেষে কলকাতা যেন সত্যিই পেল স্যান্টার উপহার। একবার নয়, বারবার কোল্ডেস্ট ডে-র নজির গড়ল শহর। মঙ্গলবার সকালে আচমকাই অনেকটা নেমে গেল তাপমাত্রা। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের মাপকাঠিতে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পৌঁছল ১২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। বড়দিনের দিন থেকেই যার আভাস মিলছিল, এ দিন তা পুরোপুরি টের পেল শহরবাসী। শুধু কলকাতাই নয়, গোটা রাজ্যের নানা জায়গায় বইছে কনকনে উত্তুরে হাওয়া। শীতের দাপটে সকাল-সন্ধে কার্যত জমে যাচ্ছে জীবনযাত্রা।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, মঙ্গলবারও সারা দিন জুড়েই থাকবে স্যাঁতস্যাঁতে ঠান্ডা। তবে এখন যে হিমেল উত্তুরে হাওয়া বইছে, তার গতি ধীরে ধীরে কমতে পারে। নতুন বছরের শুরুতেই পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাব বাড়ছে বলে জানিয়েছেন আবহবিদরা। এর জেরে উত্তুরে হাওয়ার দাপট কমলে তাপমাত্রা আরও নামার গতি কিছুটা থামতে পারে বলেও অনুমান করা হচ্ছে।শহর থেকে জেলা, বেলা বাড়লেও কুয়াশার চাদর সরছে না। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, অন্তত ৩ জানুয়ারি পর্যন্ত কুয়াশা কাটার কোনও সম্ভাবনা নেই। রাজ্যের বিভিন্ন অংশে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকবে। অনেক জায়গায় দৃশ্যমানতা নেমে যেতে পারে ২০০ থেকে ৯৯৯ মিটারের মধ্যে। এর ফলে সকালের দিকে রাস্তাঘাটে চলাচলে সমস্যা বাড়তে পারে। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রা আরও ২ থেকে ৩ ডিগ্রি পর্যন্ত নামতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।দক্ষিণবঙ্গে যখন শীত জাঁকিয়ে বসেছে, তখন উত্তরবঙ্গেও কড়া ঠান্ডার দাপট স্পষ্ট। গত এক মাস ধরে দার্জিলিং ও কালিম্পঙের পার্বত্য এলাকায় তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করছে ৫ ডিগ্রির আশপাশে। কখনও কখনও তা বেড়ে ৮ থেকে ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছলেও শীতের প্রকোপ কমছে না। ওই সব এলাকায় কুয়াশার দাপটও বেড়েছে। অনেক জায়গায় দৃশ্যমানতা নেমে এসেছে মাত্র ৫০ থেকে ১৯৯ মিটারে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নতুন বছরের শুরুতে দার্জিলিং ও কালিম্পঙের পার্বত্য অঞ্চলে তুষারপাতের সম্ভাবনাও রয়েছে। ফলে শীত আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫
রাজ্য

বছরের শেষের দিনে তীব্র শীত, কলকাতা ও পশ্চিম জেলাগুলিতে তাপমাত্রা নেমে ৮-১২ ডিগ্রি

বছরের শেষের দিনগুলোতে রাজ্যে কড়া শীতের আমেজ বিরাজ করছে। কলকাতার তাপমাত্রা লাগাতার ৪৮ ঘণ্টা ১২ ডিগ্রির ঘরে রয়েছে। পশ্চিম জেলাগুলিতেও তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রির কাছাকাছি। এই পরিস্থিতি আগামী সোমবার পর্যন্ত চলবে বলে হাওয়া অফিস জানিয়েছে।উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে ঘন কুয়াশার প্রভাব রয়েছে। বেশিরভাগ জেলাতেই দেখা দিয়েছে ঘন কুয়াশা। বড়দিনের পর থেকেই রাজ্যে শীতের থাবা স্পষ্ট। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী নতুন বছরের শুরুতে তাপমাত্রা ২-৩ ডিগ্রি বাড়তে পারে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে আগামী কয়েকদিনে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭-১০ ডিগ্রির মধ্যে থাকবে, উপকূলীয় জেলাগুলিতে ১১-১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে।২৫ ডিসেম্বর কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩.৭ ডিগ্রি। এরপর থেকে টানা ৪৮ ঘণ্টা সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রির ঘরে রয়েছে। আজ শনিবারও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২.৯ ডিগ্রি, গতকালের দিনের সর্বোচ্চ ছিল ২১.২ ডিগ্রি। মঙ্গলবার থেকে তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।উত্তরবঙ্গজুড়ে ঘন কুয়াশার জন্য আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর সতর্কবার্তা জারি করেছে। আজ ও আগামীকাল রবিবার পার্বত্য এলাকা সহ কয়েকটি জেলায় ঘন কুয়াশা থাকবে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে দৃশ্যমানতা কোথাও কোথাও ২০০ মিটারের নিচে নামতে পারে। বাকি জেলাগুলিতে ২০০ থেকে ৫০০ মিটারের মধ্যে দৃশ্যমানতা থাকবে।কালিম্পং, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদহে বিক্ষিপ্তভাবে কুয়াশার পূর্বাভাস রয়েছে। দার্জিলিং ও সংলগ্ন পার্বত্য এলাকায় তাপমাত্রা সর্বনিম্ন ৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে। মালদহ ও সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলীয় জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ৯-১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫
রাজ্য

এক ধাক্কায় পারদ নামল তিন ডিগ্রি! স্থায়ীত্ব নিয়ে ফের চিন্তায় হাওয়া অফিস

পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কবলে পড়ে এই বছর দফারফা হয়েছে শীতের। বৃহস্পতিবারের থেকে শুক্রবার সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৩ ডিগ্রি কমেছে। শুক্রবার থেকে সোম জাঁকিয়ে শীত পড়তে চলেছে বাংলায়। তেমনই বার্তা দিল আলিপুরের আবহাওয়া দপ্তর। শুক্রবার পারদের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৩ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রির কাছাকাছি থাকতে পারে বলেই আবহবিদরা জানিয়েছেন। জেলায় পারদ নামতে পারে ১০-১১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ফলে, বেশ জাঁকিয়েই অনুভূত হবে শীত।ধীর গতিতে আসা শীত আপাতত বেশ কিছুদিন স্থায়ী হবে। কিন্তু, কতদিন তা নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। কারণ, আরও একটি ঝঞ্ঝার কোপে ও বঙ্গোপসাগরে প্রচুর জ্বলীয় বাষ্প তৈরি হওয়ায় কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি ও ৫ ফেব্রুয়ারি মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কাও রয়েছে। মাঘের শুক্লা পঞ্চমী তিথিতে অর্থাৎ সরস্বতী পুজোয় ফের বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।তবে ১ ফেব্রুয়ারি থেকেই বাড়তে পারে তাপমাত্রা। ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে মাঝারি বৃষ্টিপাত শীতের শেষটুকু বাঁচানোর চেষ্টা করলেও দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে রাজ্য থেকে পাকাপাকি ভাবে বিদায় নেবে শীত। দাপট কমবে কনকনে উত্তুরে বাতাসের। সেই জায়গা নেবে দখিনা বাতাস। রাজ্যে আগমন হবে বসন্তের। তামিলনাড়ুর উপরেও তৈরি হয়েছে ঘূর্ণাবর্ত। তার প্রভাবে সরস্বতী পুজোয় বৃষ্টি হতে পারে।

জানুয়ারি ২৮, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে কাটছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার দাপট, ফের পারদ পতন রাত থেকে, কাঁপছে উত্তর ভারত

রাজ্যে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাব কাটতে শুরু করেছে। মঙ্গলবার দুই ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরের একাংশে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানিয়েছে হাওয়া অফিস। কলকাতা-সহ বাকি জেলাগুলিতে শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। সঙ্গে থাকবে কুয়াশা। মঙ্গলবার থেকেই কলকাতা-সহ গাঙ্গেয় বঙ্গে রাতের তাপমাত্রা ফের এক বার নামতে শুরু করবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। আগামী তিন দিনের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২-৪ ডিগ্রি নামতে পারে বলে জানিয়েছে তারা। তবে উত্তরবঙ্গের বেশির ভাগ জেলায় আরও দিন দুয়েক বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তার পর থেকে সেখানে পারদ পতন শুরু হতে পারে।আলিপুরের হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, মঙ্গলবার কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রির ঘরে ঘোরাফেরা করবে। কলকাতার আকাশ প্রধানত মেঘাচ্ছন্ন থাকবে। সকালে থাকবে কুয়াশার দাপট।এদিকে উত্তর পশ্চিম ও মধ্য ভারত নিয়ে ফের সতর্কতা জারি করল আবহাওয়া দপ্তর। নয়াদিল্লির মৌসম ভবনের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী পাঁচ দিন তাপমাত্রা ক্রমশ কমবে পঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, গুজরাত ও মহারাষ্ট্রের কিছু অংশে। রাজধানী দিল্লিতে তাপমাত্রা কমলেও আপাতত এখানকার জন্য শৈত্যপ্রবাহের সতর্কতা জারি করা হয়নি। দিল্লির জন্য শীতল দিনের সতর্কতা জারি করা হয়েছে।মঙ্গলবার সকালে কুয়াশায় ঢাকা দিল্লির তাপমাত্রা ছিল ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। পঞ্জাবের বেশ কিছু অংশে কুয়াশা থাকলেও তাপমাত্রা নেমেছে সাত ডিগ্রিতে।

জানুয়ারি ২৫, ২০২২
রাজ্য

Weather: বুধবারও বৃষ্টির সম্ভাবনা, থাকবে মেঘলা আকাশ, মহানগরীর শীত উধাও

বঙ্গে উধাও শীত। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জেরে উপরন্তু রাজ্য জুড়ে বৃষ্টি। কোথাও মঙ্গলবার রাত থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে। কোথাও বা বুধবার ভোর থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে। হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, আপাতত এই সপ্তাহ জুড়েই এভাবে বৃষ্টিপাত চলবে। সপ্তাহান্তে আবহাওয়ার উন্নতি হতে পারে।মঙ্গলবার সকাল থেকেই দক্ষিণবঙ্গে শীত কার্যত উধাও হয়ে গিয়েছে। আকাশ মেঘলা থাকায় তাপমাত্রাও বেড়েছে। সেই সঙ্গে মঙ্গলবার বিকেল থেকে রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে হয়েছে বৃষ্টি। কলকাতাতেও সন্ধ্যায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস, বুধবারেও রাজ্যের বেশির ভাগ জেলায় বৃষ্টি হতে পারে।আরও পড়ুনঃ বুধবারও বৃষ্টির সম্ভাবনা, থাকবে মেঘলা আকাশ, মহানগরীর শীত উধাওবুধবার সকালে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পৌঁছে গিয়েছে সাড়ে ১৭ ডিগ্রিতে। যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি বেশি। সকাল থেকেই মহানগরীর আকাশ রয়েছে মেঘলা। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, বুধবার উত্তরবঙ্গ এবং সিকিমের দু-একটি জায়গায় শিলাবৃষ্টি হতে পারে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে মঙ্গলবার রাত থেকেই বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। মূলত পশ্চিমের জেলাগুলি, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া,বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমানে ব্যাপক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এরমধ্যে, পশ্চিম মেদিনীপুরে ব্যাপক বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে।আরও পড়ুনঃ ইতিহাস গড়েও জয় এল না এসসি ইস্টবেঙ্গলেরখড়গপুরের ২ নম্বর ব্লকের সুলতানপুরে মিনিট দুয়েকের ঝড়ে একপ্রকার লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় গোটা এলাকা। মঙ্গলবার থেকেই সেখানে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হয়। তারপরেই একটু রাত বাড়তেই প্রবল ঝড়ে ভেঙে পড়ে একাধিক গাছ। ক্ষতি হয়েছে জমিরও। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় গোটা গ্রামে। বেশ কয়েকটি বাড়ির উপর গাছের ডালও ভেঙে পড়ে। অন্যদিকে, আসানসোলেও ভারী বর্ষণ শুরু হয় মঙ্গলবার থেকেই। যদিও, কিছু সময় পরে বৃষ্টি থেমে যায়।

জানুয়ারি ১২, ২০২২
রাজ্য

Childs Burn: শীত নিবারণের জন্য জ্বালানো আগুনের মধ্যে পড়ে গিয়ে দগ্ধ শিশু

শীত নিবারণের জন্য জ্বালানো আগুনের মধ্যে পা পিছলে পড়ে গিয়ে দগ্ধ হল এক শিশু। মর্মান্তিক এই ঘটনাটি বুধবার সকালে ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার অগ্রদ্বীপের একটি ইট ভাটায়। আশঙ্কানক অবস্থায় শিশুপুত্র লিটো মাজি (৮) কে উদ্ধার করে ভর্তি করা হয়েছে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। ঘটনার আকশ্মিকতায় স্তম্ভিত ইটভাটার সকল শ্রমিকরা।প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অগ্রদ্বীপের ইঁটভাটায় শ্রমিকের কাজ করেন শিশুটির বাবা-মা। তাঁদের বাড়ি বিহারে। ভাটার শ্রমিকদের কথায় জানা গিয়েছে, শীত নিবারণের জন্য এদিন সকালে তাঁরা কাঠ কুটো যোগড় করে তাতে আগুন জ্বালিয়ে আগুন পোহাচ্ছিলেন। ওই সময়ে কাছে-পিঠেই ছোটাছুটি করছিলেন কয়েকটি শিশু. তাদের মধ্যে শিশুপুত্র লিটো মাজিও ছিল।। ছুটোছুটি করে খেলার সময়ে হঠাৎতই পা পিছলে লিটো সোজা আগুনের মধ্যে গিয়ে পড়ে। আর তাতেই ঘটেযায় বিপত্তি। লিটোর শরীরের অনেকাংশ আগুনে দগ্ধ হয়। তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। শারীরিক অবস্থা খারাপ থাকায় পরে তাঁকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
রাজ্য

Weather: বছরের তৃতীয় দিনে শহরে জাঁকিয়ে পড়ল শীত!

আবহবিদেরা আগেই জানিয়েছিলেন, বছরের শুরুতেই জাঁকিয়ে পড়তে চলেছে শীত। সেই ভবিষ্যদ্বাণী মিলে গেল। বছরের তৃতীয় দিনে বেশ কিছুটা নামল পারদ। সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকই রয়েছে। শেষ কিছু দিন ধরে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ২-৩ ডিগ্রি বেশি ছিল। সেই নিয়মের ব্যতিক্রম দেখল সোমবার। একই সঙ্গে সোমবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠতে পারে ২২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি কম। সারা দিন ধরেই বইতে পারে উত্তরে হাওয়া। তবে আকাশ হালকা মেঘাচ্ছন্ন থাকলেও সোমবার বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা নেই কলকাতায়।কলকাতার পাশাপাশি জেলাগুলিতেও তাপমাত্রা বেশ কিছুটা নেমেছে। রাজ্যের পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা থাকবে ১০ ডিগ্রির কাছাকাছি। পার্বত্য তরাই-ডুয়ার্সে পারদ ১০ ডিগ্রিরও নীচে নেমেছে। তবে আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েক দিন রাজ্যজুড়ে জাঁকিয়েই বসবে শীত।আবহবিদেরা জানিয়েছিলেন, পূর্ব ভারতে ঠান্ডার কারণ উত্তর-পশ্চিমের শৈত্যপ্রবাহ। রাজস্থান, পঞ্জাব, হরিয়ানায় প্রবল শৈত্যপ্রবাহ শুরু হলে কনকনে উত্তুরে হাওয়া পূর্ব ভারতে প্রবেশ করে। সোমবার দিন সেই শীতের দেখা মিললেও এই শীত কত দিন স্থায়ী হবে, তা নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন আবহবিদদের একাংশ। আলিপুর হাওয়া অফিসের খবর, শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি বা কোচবিহারের থেকে রবিবার পুরুলিয়া, শ্রীনিকেতন এবং কাঁথিতে বেশি শীত মালুম হয়েছে। এমনকী উলুবেড়িয়া বা কৃষ্ণনগরের কাছেও গোল খেয়ে গিয়েছে ডুয়ার্স। এর মূলে গাঙ্গেয় বঙ্গে কনকনে উত্তুরে হাওয়াই রয়েছে বলে জানাচ্ছেন আবহবিদেরা।হাওয়া অফিস সূত্রের খবর, শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহারের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রবিবার ছিল যথাক্রমে ১১.৯, ১১.৮ এবং ১২.৬ ডিগ্রি। সোমবারও থাকতে পারে এর কাছাকাছিই। অথচ পূর্বমেদিনীপুরের কাঁথিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯.৫ ডিগ্রি। তার পরেই রয়েছে বীরভূমের শ্রীনিকেতন (১০ ডিগ্রি)। পুরুলিয়া, আসানসোলের মতো এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রির কাছে। ফলে দক্ষিণের কাছে গোল খাচ্ছে উত্তর।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
কলকাতা

Weather: আজও ঠান্ডায় জবুথুবু বাংলা

সোমবারই ছিল মরশুমের শীতলতম দিন। মঙ্গলবারও কলকাতার তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি কম। জেলায় ঠান্ডার কামড় আরও বেশি। বাধা নেই, হু হু করে ঢুকছে হিমেল হাওয়া। অন্তত ৩-৪ দিন জাঁকিয়ে শীত রাজ্যে। তারপর ধীরে ধীরে বাড়বে তাপমাত্রা। বড়দিনের কলকাতায় পারদ থাকতে পারে ১৫-১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২২.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৪ ডিগ্রি কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি কম।শীতের আমেজ নিচ্ছেন শহরবাসী। কোথাও আগুন জ্বালিয়ে তাপ পোহাচ্ছেন, কোথাও বা গরম চায়ে চুমুক! মাঙ্কি টুপিতে শীত আড়াল করার ছবিও দেখা মিলছে শীতের সকালে। শহরবাসী বলছেন, এই জমিয়ে শীতের অপেক্ষায় ছিলেন তাঁরা। শীত জমিয়ে না পড়লে শারীরিক নানা সমস্যা দেখা দেয়।কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গে মূলত পরিষ্কার আকাশ থাকবে। কলকাতা, পূর্ব মেদিনীপুর উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও পরিষ্কার আকাশ। কলকাতায় আজ পরিষ্কার আকাশ। উত্তরবঙ্গের জেলায় শীতের আমেজ ক্রমশ বাড়বে। শুষ্ক আবহাওয়া উত্তরবঙ্গেও। আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রার তারতম্যে জলীয়বাষ্প থাকায় কুয়াশা হতে পারে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি।

ডিসেম্বর ২১, ২০২১
কলকাতা

Weather: মরশুমের শীতলতম দিন সোমবারই, কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামল ১১ ডিগ্রিতে

মরশুমের শীতলতম দিন সোমবারই। কলকাতায় তাপমাত্রা নামল ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। স্বাভাবিকের চেয়ে চার ডিগ্রি কম। জেলায় ঠান্ডার কামড় আরও বেশি। বাধা নেই, হু হু করে ঢুকছে হিমেল হাওয়া। অন্তত ৩-৪ দিন জাঁকিয়ে শীত রাজ্যে। তারপর ধীরে ধীরে বাড়বে তাপমাত্রা। বড়দিনের কলকাতায় পারদ থাকতে পারে ১৫-১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে।যত দিন যাচ্ছে, তত জাঁকিয়ে বসছে শীত! ধুন্ধুমার ব্যাটিং চলছে দেশজুড়ে। বাংলাতেই বা পিছিয়ে থাকবে কেন! গত সপ্তাহ থেকে শুরু হয়েছিল পারদপতন। এ সপ্তাহেও তা অব্যাহত। গত দুদিনের থেকে সোমবার তাপমাত্রার উল্লেখযোগ্য পতন হয়েছে। এর জেরে গত সপ্তাহের পরিসংখ্যান পিছনে ফেলে সোমবারই হল যে মরসুমের শীতলতম দিন।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, সোমবার কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় আকাশ থাকবে পরিষ্কার। রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়াই থাকবে। কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা কমে হবে ২২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা স্বাভাবিকের থেকে ৪ ডিগ্রি কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামবে ১১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা স্বাভাবিকের থেকেও ৪ ডিগ্রি কম। এ মরশুমে এই প্রথম মহানগরীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামল ১১ ডিগ্রির ঘরে।কলকাতার তুলনায় জেলার বিভিন্ন জেলার তাপমাত্রা আরও কমেছে। কৃষ্ণনগর, আসানসোল, বাঁকুড়া, পুরুলিয়ার মতো শহরেও কমেছে তাপমাত্রা। সব মিলিয়ে পৌষের শুরু থেকেই জমিয়ে ব্যাটিং শীতের। ডিসেম্বরের এই সময় পনেরোর কোটাতেই থাকে তাপমাত্রা। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, দিনভর পরিষ্কার আকাশ, কমবে রাতের তাপমাত্রা। কলকাতার সঙ্গে জেলার পারদও নিম্নমুখী। দুই থেকে তিন ডিগ্র তিন ডিগ্রি কমবে। খোলা ময়দান পেয়েই শক্তিশালী হতে শুরু করেছে উত্তুরে-পশ্চিমী বাতাস। তাতেই নামছে পারদ। তাই শুধু আগমনী নয়, দিনকয়েক থিতুও হবে শীত।এতটা পারদ-পতন কলকাতায় শেষ দেখা গিয়েছিল ২০১৬ সালে। তার আগে ২০০৫ সালে।২০১৬ সালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর ২০০৫ সালে ছিল ১৮.২ ডিগ্রি।

ডিসেম্বর ২০, ২০২১
রাজ্য

Coldest Day: প্রত্যেক দিনই কমছে তাপমাত্রার পারদ, বড়দিনের আগে শুক্রবারই মরশুমের শীতলতম দিন

নিম্নচাপের বাধা কাটিয়ে উত্তুরে হাওয়া ঢুকতেই রাজ্যে জাঁকিয়ে বসেছে শীত। এ সপ্তাহের শুরুতেই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছিল ১৪ ডিগ্রির ঘরে। শুক্রবার তা আরও একটু কমেছে। সর্বনিম্নের পাশাপাশি সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও কমেছে গত কয়েক দিনের তুলনায়। আগামী কয়েক দিন ঠান্ডা আরও বাড়তে পারে বলে জানানো হয়েছে হাওয়া অফিসের তরফে।হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, শুক্রবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আকাশ থাকবে পরিষ্কার। উঠবে রোদ। মহানগরীর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা নামবে ২৪.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। গত কয়েক দিনে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৫ ডিগ্রির উপরে। শুক্রবার তা কমেছে। সর্বোচ্চের পাশাপাশি সর্বনিম্ন তাপমাত্রারও পতন হয়েছে। তা নেমেছে ১৩.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এ মরশুমে এটাই কলকাতার এখন অবধি সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। ফলে বলতে হচ্ছে, এখনও পর্যন্ত শুক্রবারই শীতলতম দিন।কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে মূলত পরিষ্কার আকাশ থাকবে। কলকাতা,পূর্ব মেদিনীপুর উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও পরিষ্কার আকাশ। কলকাতায় আজ পরিষ্কার আকাশ। উত্তরবঙ্গের জেলায় শীতের আমেজ ক্রমশ বাড়বে। শুষ্ক আবহাওয়া উত্তরবঙ্গেও। আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রার তারতম্যে জলীয়বাষ্প থাকায় কুয়াশা হতে পারে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২১
রাজ্য

Weather: জাঁকিয়ে পড়েছে শীত, বাড়তে পারে ঠান্ডা

নিম্নচাপের ভ্রুকুটি কাটিয়ে বাংলায় ইতিমধ্যেই জাঁকিয়ে বসেছে শীত। আগামী কয়েক দিনে তা আরও বাড়তে পারে বলে জানানো হয়েছে হাওয়া অফিসের তরফে। কলকাতায় গত তিন ধরেই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রিতে রয়েছে। সঙ্গে সকালে হালকা কুয়াশাও দেখা গিয়েছে বিভিন্ন জেলায়।এ বছরে সময়মতো শীতের ইনিংস শুরু হলেও বঙ্গোপসাগের ঘনীভূত হওয়া নিম্নচাপের জেরে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে বেড়েছিল জলীয় বাষ্পের উপস্থিতি। যার জেরে ধাক্কা খেয়েছিল শীতের ব্যাটিং। সেই প্রভাব কমতেই বেড়েছে ঠান্ডা। আলিপুর আবহওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃহস্পতিবার আকাশ থাকবে পরিষ্কার। উঠবে রোদ। মহানগরীর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৫.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। অন্য দিকে, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামতে পারে ১৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২১
কলকাতা

Weather: আজ আরও জাঁকিয়ে পড়েছে শীত, কমবে রাতের তাপমাত্রাও

বুধবার আরও নামল পারদ। এদিন শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। কমেছে সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও। আজকের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৬.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। আজ প্রধাণত পরিষ্কার আকাশ থাকবে। রোদ ঝলমলে দিন থাকবে সারাদিন। রাতে আরও কমবে তাপমাত্রা। আপাতত বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।গতকালই একধাক্কায় ৩ ডিগ্রি নেমেছিল পারদ। ডিসেম্বরের এই সময় তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রির কোটাতেই থাকে। কলকাতার সঙ্গে জেলার পারদও নিম্নমুখী। দুই থেকে তিন ডিগ্রি কমবে। খোলা ময়দান পেয়েই শক্তিশালী হতে শুরু করেছে উত্তুরে-পশ্চিমী বাতাস। তাতেই নামছে পারদ। দিনকয়েক থিতুও হবে শীত।কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে মূলত পরিষ্কার আকাশ থাকবে। কলকাতা,পূর্ব মেদিনীপুর উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও পরিষ্কার আকাশ। উত্তরবঙ্গের জেলায় শীতের আমেজ ক্রমশ বাড়বে। শুষ্ক আবহাওয়া উত্তরবঙ্গেও। আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রার তারতম্যে জলীয়বাষ্প থাকায় কুয়াশা হতে পারে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি।এতটা পারদ-পতন কলকাতায় শেষ দেখা গিয়েছিল ২০১৬ সালে। তার আগে ২০০৫ সালে।২০১৬ সালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর ২০০৫ সালে ছিল ১৮.২ ডিগ্রি।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২১
রাজ্য

Weather: সোমবারের তুলনায় আরও নামল পারদ, মরশুমের শীতলতম মঙ্গলবার

কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় আরও জাঁকিয়ে বসল ঠান্ডা। সোমবার অনেকটাই পতন হয়েছিল পারদের। মঙ্গলবার তা আরও নেমেছে। যার জেরে মঙ্গলবারই এখনও পর্যন্ত এ মরশুমের শীতলতম দিন। নিম্নচাপের ভ্রুকুটি কাটিয়ে এ রাজ্যে যখন শীত নিজের প্রভাব বাড়াচ্ছে, তখন রাজধানী দিল্লি-সহ উত্তর ভারতের বিভিন্ন এলাকায় ঠান্ডার প্রভাবে কাঁপছেন মানুষ।আকাশ পরিষ্কার হতেই হিমেল পরশ। গতকালই একধাক্কায় ৩ ডিগ্রি নেমেছিল পারদ। ডিসেম্বরের এই সময় পনেরোর কোটাতেই থাকে তাপমাত্রা। দিনভর পরিষ্কার আকাশ, কমবে রাতের তাপমাত্রা। কলকাতার সঙ্গে জেলার পারদও নিম্নমুখী। দুই থেকে তিন ডিগ্র তিন ডিগ্রি কমবে। খোলা ময়দান পেয়েই শক্তিশালী হতে শুরু করেছে উত্তুরে-পশ্চিমী বাতাস। তাতেই নামছে পারদ। তাই শুধু আগমনী নয়, দিনকয়েক থিতুও হবে শীত।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার কলকাতা-সহ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় আকাশ থাকবে পরিষ্কার। তবে এই সময়ে সকালের দিকে কিছু এলাকা কুয়াশায় ঢাকতে পারে বলে জানানো হয়েছে হাওয়া অফিসের তরফে। মঙ্গলবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামতে পারে ১৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। সোমবার এই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছিল ১৫ ডিগ্রিতে।এ বছর সময়মতো শীতের ইনিংস শুরু হলেও বারবার বাধা পেয়েছে তার পথচলা। বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত হওয়া নিম্নচাপ বাতাসে জলীয় বাষ্পের উপস্থিতি বাড়িয়েছিল। যার জেরে আকাশ থেকেছে মেঘলা। স্তব্ধ হয়েছিল উত্তুরে হাওয়ার গতিপথ। স্বাভাবিকের তুলনায় তাপমাত্রা ছিল বেশি। কিন্তু সেই বাধা কাটতেই বাংলায় ফিরছে শীত।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২১
রাজ্য

Foggy Weather: ফের নামতে শুরু করছে পারদ, কুয়াশার চাদরে ঢাকল ভোরের শহর

সকালের শিরশিরে আজ আবার কিছুটা হলেও অনুভূত হচ্ছে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, গত দুদিনে তাপমাত্রা বেড়েছিল অনেকটাই। কিন্তু মঙ্গলবার সকালের দৃশ্যটা আবার অন্য রকম।গত দুদিন ধরেই কলকাতায় সেই শিরশিরে ভাবটা উধাও ছিল। সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও ছিল স্বাভাবিকের থেকে বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৩.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের জেরে যে অতিরিক্ত জলীয় বাষ্প ঢুকেছিল, তার ফলে উপকূল এবং উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কলিংপং, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, কোচবিহারে হালকা বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।সকাল থেকে ঘন কুয়াশার চাদরে মোড়া শহর কলকাতাও। সল্টলেক, নিউটাউন, রাজারহাট-সহ একাধিক এলাকায় ঘন কুয়াশা পড়েছিল সকালে । ৫০০ মিটার পর থেকে দৃশ্যমানতা কম অর্থাৎ সবকিছুই ঝাপসা দেখা যাচ্ছিল। সকাল থেকেই রাস্তায় কোনও কোনও গাড়ি হেডলাইট আবার কোনও গাড়ি ইমার্জেন্সি লাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে। কুয়াশার কারণে গত দু দিনের তুলনায় আজ অনেকটাই শিরশিরে ভাব অনুভূত হচ্ছে।মঙ্গলবার হাওয়া অফিস অবশ্য বলছে, তাপমাত্রা ক্রমশ নিম্নমুখী হচ্ছে আর কয়েকদিনের মধ্যেই জাঁকিয়ে শীত পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। মঙ্গলবার উচ্চচাপের ফাঁড়া কাটলে বুধবারের পর ফিরবে ঠান্ডা আমেজ। এমনও হতে পারে, আগামী সপ্তাহান্তে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচেও নামতে পারে।তবে হাওয়া অফিসের যা ইঙ্গিত, তাতে পুরোদমে দক্ষিণবঙ্গে শীত পড়তে এখনও কিছুটা সময় বাকি। ১৫ ডিসেম্বরের আগে সে অর্থে কলকাতায় শীত পড়েও না। তবে ধীরে ধীরে তাপমাত্রা নামতে শুরু করে। কিন্তু এবার নভেম্বরেই দুবার তাপমাত্রা ১৮র কাছাকাছি নেমে গিয়েছিল।

নভেম্বর ২৩, ২০২১
রাজ্য

Winter in Bengal: বঙ্গে আরও নামল তাপমাত্রা, বইছে উত্তুরে হিমেল হাওয়া

শহরজুড়ে শীতের আমেজ। ফের নামল তাপমাত্রার পারদ। দক্ষিণবঙ্গে সকালে শীতের আমেজ আরও বাড়ছে। জেলায় জেলায় তাপমাত্রা ১৫-১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে । পুরুলিয়ার পারদ ১৪ ডিগ্রি ছুঁয়েছে। আবহাওয়াবিদদের কথায়, হেমন্তের পরিবেশ সারা বাংলাজুড়ে। রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নীচে থাকায় শীতের আমেজ অনুভূত হচ্ছে। খুব সকালের দিকে কোথাও কোথাও সামান্য কুয়াশাও পড়ছে।আজ সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৩ ডিগ্রি কম। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হতে পারে ৩০ দশমিক এক ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ আদ্রতার পরিমাণ ৯৫ শতাংশ। সকালের দিকে কুয়াশা থাকলেও দিনভর আকাশ পরিষ্কার থাকবে বলে আবহাওয়া দপ্তর সূত্রের খবর।রাতে ও সকালের দিকে রীতিমতো ঠান্ডা লাগছে। পশ্চিমের জেলা গুলিতে শীতের আমেজ বেশি অনুভূত হবে। এরকম পরিস্থিতি থাকবে আগামী কয়েকদিন।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানাচ্ছে, নতুন করে নিম্নচাপের আশঙ্কা রয়েছে বঙ্গোপসাগরে। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর সুমাত্রা উপকূলে রয়েছে একটি ঘূর্ণাবর্ত আগামী মঙ্গল-বুধবার নাগাদ এই ঘূর্ণাবর্ত নিম্নচাপে পরিণত হবে। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ ক্রমশ পশ্চিম ও উত্তর পশ্চিম দিকে এগিয়ে আরও শক্তিশালী হয়ে তামিলনাড়ু উপকূলের দিকে এগবে। সরাসরি প্রভাব না পড়লেও পরোক্ষ প্রভাবে পূবালি হাওয়ায় প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকতে পারে রাজ্যে। দক্ষিণবঙ্গের উপকূলের জেলাগুলিতে আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে পারে আগামী সপ্তাহের শেষ দিকে।পুরুলিয়ায় তাপমাত্রা ১৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শ্রীনিকেতন ১৫.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পানাগড় ১৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাঁকুড়া ১৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আসানসোল ১৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বারাকপুর ১৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বর্ধমান ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বহরমপুর ১৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কলাইকুন্ডা ১৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দীঘা ১৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস । ক্যানিং ১৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

নভেম্বর ০৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

বিশ সাল বাদ মহেশ-বিক্রম-এর হাড় হিম করা 'কোল্ড'

প্রায় দু-দশক পর আবার একসঙ্গে কাজ করছেন মহেশ ভাট এবং বিক্রম ভাট। বিপাশা বাসু অভিনীত রাজ ছবিতে একসঙ্গে শেষবার কাজ করেছিলেন তাঁরা দুজনে। মূলত মহামারী পরবর্তি সময়কে নিয়েই তৈরি হতে চলেছে তাঁদের পরবর্তী ছবি কোল্ড।আলফ্রেড হিচককের আ গ্লিম্পস ইনটু দ্য ওয়ার্ল্ড প্রুভস দ্যাট হরর ইজ নাথিং আদার দ্যান রিয়ালিটি, মাস্টার অব সাসপেন্স, এই সূত্র মেনেই কোল্ড ছবির কাজ শুরু করেছেন বিক্রম ভাট এবং মহেশ ভাট। কুড়ি বছর পর দুজনে এক সঙ্গে জুটি বেধে শুরু করে ফেলেছেন এই ছবির প্রস্তুতি। বলিউড-এ ছবির প্রথম পর্যায়ের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই।ছবির পরিচালক বিক্রম ভাট বলেন, গত এক বছর ধরে এক গভীর যন্ত্রণাদায়ক সময়ের সাক্ষী থেকেছি আমরা, করোনা আমাদের অনেক কিছু কেড়ে নিয়েছে, আবার অনেককিছু শিখিয়েও দিয়েছে। সেই বাস্তব অভিজ্ঞতা ও যন্ত্রণাই প্রতিফলিত হবে কোল্ড ছবিতে। অনেক-কিছু ভাবা এবং শেখার মন্ত্র নিয়েই এতদিন আমরা পথ চলছিলাম। কিন্তু, করোনাকালীন সময়টা আমাদের শিখিয়েছে, কিছু জিনিস না ভাবা এবং না শেখাই ভালো।কোল্ড এর চিত্রনাট্য লিখেছেন মহেশ ভাট। বিক্রম ভাট এ প্রসঙ্গে বলেন, আমি যে আঙ্গিকে ছবিটি তৈরি করতে চেয়েছিলাম, তা মহেশের থেকে ভালো আর কেউ বা লিখতে পারত? কুড়ি বছর পর আবার আমার গুরু মহেশ ভাটের সঙ্গে কাজ করছি। বিক্রম ভাট প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেছেন কোল্ড ভারতীয় সিনেমার সবচেয়ে ভয়ংকর ছবি হবে। বিক্রম ভাট জানান, চিরাচরিত ভয়ংকর ছবিগুলির বোকা বোকা দৃশ্য পর্দার আড়াল থেকে ভূত বেরিয়ে আসা কিংবা শূন্যে ঝুলে থাকার সূত্র এখনকার দর্শকরা বড় বোকা বোকা ভাবে। আর তাই এই ধরনের বিষয়গুলিকে বাতিলের খাতায় ফেলে একেবারে নতুন আঙ্গিকে কোল্ড ছবিটি বানাতে চলেছেন ভাটেরা।ভয়ংকর এক সময়ের সাক্ষী হতে চলেছেন এক মহিলা। নতুন শহরে ওই মহিলার পথচলার কাহিনীকে কেন্দ্র করেই মূলত তৈরি হচ্ছে কোল্ড। প্রতি মুহূর্তে প্রাণ সংশয় নিয়ে বাঁচার গল্পই বলতে চলেছেন দুই হরর জ্যঁর বিশেষজ্ঞ। ছবিটি প্রযোজনা করছেন কৃষ্ণা ভাট এবং অমর ঠক্কর। ছবিতে অভিনয় করতে চলেছেন পিৎজা খ্যাত অক্ষয় ওবেরয় এবং নবাগতা অনিশা পাহুজা।জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২১
কলকাতা

এক ধাক্কায় ২ ডিগ্রি নামল শহরের তাপামাত্রা

বুধবার এক ধাক্কায় ২ ডিগ্রি নামল শহরের তাপমাত্রা। এদিনের কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪.১ ডিগ্রি। চলতি সপ্তাহে তাপমাত্রার পারদ ১৫ থেকে ১৬ ডিগ্রির মধ্যে ঘোরাফেরা করবে বলেই জানিয়েছে আলিপুর হাওয়া অফিস। অন্যদিকে ঝাড়খন্ড লাগোয়া জেলাগুলোতে চলতি সপ্তাহেই সম্ভাবনা রয়েছে বৃষ্টিপাতের।দিনকয়েক আগে তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রির নিচে নামলেও গত দুদিন পারদ ছিল ঊর্ধ্বমুখী। বেলা বাড়তেই গরমের অনুভূতি হচ্ছিল বঙ্গবাসীর। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছিল, চলতি সপ্তাহে ১৫-১৬ ডিগ্রির মধ্যেই ঘোরাফেরা করবে তাপমাত্রা। কিন্তু বুধবার একধাক্কায় ২ ডিগ্রি নেমেছে পারদ। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, এদিন ভোরের দিকে জাঁকিয়ে শীতের আমেজ অনুভূত হলেও বেলা বাড়তেই বদলাবে পরিস্থিতি। জেলাগুলোতে শীত দাপট দেখাবে আরও কয়েকদিন। কুয়াশার চাদরে মুড়বে গোটা বঙ্গ। উত্তরবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় ঘন কুয়াশার সর্তকতা জারি। কুয়াশা দাপট দেখাবে দক্ষিণবঙ্গেও। হাওয়া অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, শীতের যাওয়া-আসার মাঝেই শুক্রবার হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গের ঝাড়খণ্ড লাগোয়া জেলাগুলোতে। নতুন করে বঙ্গে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা প্রবেশ করবে ফেব্রুয়ারিতে। তার আগে শীতের কামড় ভালোই অনুভব করবে বঙ্গবাসী।

জানুয়ারি ২৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ইডেনে মোদীর জন্য ‘হোম’ ড্রেসিংরুম, শুভেন্দু'র ‘অ্যাওয়ে’! ১০ হাজার শিল্পীর অনুষ্ঠান, সাজছে ক্রিকেটের নন্দনকানন

কলকাতা: ইডেনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অনুষ্ঠানের প্রস্তুতিতে তুঙ্গে তৎপরতা। সূত্র মারফত জানা যায়, প্রধানমন্ত্রীর জন্য বরাদ্দ হচ্ছে ইডেন গার্ডেন্সের হোম ড্রেসিংরুমযে ড্রেসিংরুম ব্যবহার করে ভারতীয় ক্রিকেট দল এবং কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর)। অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জন্য রাখা হবে অ্যাওয়ে ড্রেসিংরুম। দুই ড্রেসিংরুমের মাঝখানের মাঠে যাওয়ার কমন পথটিও থাকবে ব্যবহারের উপযোগী।দায়িত্বপ্রাপ্ত বেসরকারি সংস্থার হাতেই থাকছে ড্রেসিংরুম দুটির সাজসজ্জা ও প্রয়োজনীয় বন্দোবস্ত। ড্রেসিংরুমে আহার-সহ আপ্যায়নের যাবতীয় ব্যবস্থা থাকবে। অনুষ্ঠানের মূল মঞ্চ তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে ড্রেসিংরুমের সামনের লনেই।মাঠের যাতে কোনও ক্ষতি না হয়, সে দিকেও বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। মঞ্চ ও অন্যান্য পরিকাঠামোর জন্য মাঠের ভিতরে প্রায় ১২ ফুট জায়গা প্রয়োজন হতে পারে। তবে ঘাসের ক্ষতি না করেই যাবতীয় কাজ করার পরিকল্পনা। সামান্য বদল আসতে পারে শুধু ঘাসের রঙে।অনুষ্ঠান চলাকালীন গল্ফ কার্টে করে মাঠ প্রদক্ষিণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। মঞ্চের উপর থাকবে ছাউনি। ইডেনের বিভিন্ন ব্লকে চেয়ার সরিয়ে জায়ান্ট স্ক্রিন বসানোর পরিকল্পনাও রয়েছে। পাশাপাশি ইডেন উদ্যান থেকে আতশবাজির প্রদর্শনীর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ হতে চলেছেন প্রায় ১০ হাজার সাংস্কৃতিক শিল্পী। তাঁদের পারফরম্যান্সের জন্য ইডেনের উল্টো দিকে থাকা মাঠ এবং নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামকে ব্যবহার করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও থাকছে কড়া ব্যবস্থা। ৯ অক্টোবর অফিসের সময় শেষ হওয়ার পর থেকেই এসপিজি নিরাপত্তার আওতায় ইডেনের ক্লাব হাউস কার্যত সিল করে দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী যতক্ষণ সেখানে থাকবেন, প্রায় তিন ঘণ্টা ক্লাব হাউসের গতিবিধিতে থাকবে কড়া নিয়ন্ত্রণ। গোটা অনুষ্ঠান চলবে বিকেল ৪টে থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।এদিকে, ক্লাব হাউসে সিএবির আধিকারিকদের উপস্থিতি নিয়ে বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে। সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়-সহ পাঁচ অফিস বেয়ারার, সিইও এবং সিএও যাতে ক্লাব হাউসে থাকতে পারেন, তার জন্য এসপিজির অনুমতি চাওয়া হয়েছে। অন্তত সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের উপস্থিতির অনুমতি দেওয়ার জন্যও অনুরোধ রাখা হয়েছে।সিএবির অ্যাফিলিয়েট সদস্যদের জন্যও বিশেষ বন্দোবস্তের আবেদন করা হয়েছে। অন্তত প্রতিটি ক্লাব থেকে দুজন করে যাতে অনুষ্ঠানটি দেখতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানস্থল তৈরির কাজ থেকে শুরু করে নৈশালোকের বন্দোবস্তসব ক্ষেত্রেই সিএবির তরফে সম্পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আগামী ২৫ বা ২৬ সেপ্টেম্বর ইডেনের ১৪ নম্বর গেটের কাছে কনফারেন্স রুমে অস্থায়ী অফিস তৈরি করবে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা। অনুষ্ঠানে পারফর্ম করতে আসা তারকা শিল্পীদের সেখানে অথবা কর্পোরেট বক্সে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।ইডেনের সাজসজ্জা ও পরিকাঠামো খতিয়ে দেখতে শীঘ্রই পরিদর্শনে আসবে পূর্ত দফতর (PWD)। মাঠ, মঞ্চ, নিরাপত্তা এবং দর্শক ব্যবস্থাপনাসব দিক খতিয়ে দেখেই চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেওয়া হবে।সব মিলিয়ে ক্রিকেটের বাইরের এক অন্য ভূমিকায় এবার সেজে উঠতে চলেছে ইডেন গার্ডেন্স। ক্রিকেটের নন্দনকাননেই প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে হতে চলেছে এক বর্ণময়, বিশাল আয়োজন।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
দেশ

নেপালের বিপর্যয়ে চারপেয়ে ত্রাতা! ভারতের সাম্বার নাকেই মিলল ২০টি দেহের সন্ধান

নেপালে ভয়াবহ বিপর্যয়ের পর কেটে গিয়েছে বেশ কিছু দিন। ধ্বংসস্তূপের নীচে নিখোঁজদের জীবিত অবস্থায় পাওয়ার আশা অনেকটাই ছেড়ে দিয়েছেন তাঁদের পরিজনেরা। কিন্তু উদ্ধারকাজ এখনও থামেনি। কাদামাটি, ভেঙে পড়া বাড়ির অংশ এবং ধ্বংসস্তূপের মধ্যে নিখোঁজদের খুঁজে চলেছেন নেপালের সেনা, পুলিশ এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা। তাঁদের সঙ্গে এই কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে প্রশিক্ষিত সারমেয় বাহিনীও।তাদের মধ্যেই অন্যতম সাম্বা। ল্যাব্রাডর প্রজাতির এই সারমেয় নেপালের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর প্রশিক্ষিত সারমেয় দলের সদস্য। তবে সাম্বার সঙ্গে ভারতেরও যোগ রয়েছে। নেপালের প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকেই তাকে আনা হয়েছিল। পরে নেপালের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর বিশেষ প্রশিক্ষণ দিয়ে তাকে উদ্ধারকাজের উপযোগী করে তোলা হয়।মানুষের দেহের গন্ধ শনাক্ত করে ধ্বংসস্তূপের নীচে কোথায় দেহ থাকতে পারে, তা খুঁজে বার করাই সাম্বার মূল দায়িত্ব। সেই দায়িত্বই অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে পালন করেছে সে। রাসুয়া এবং ত্রিশূলী এলাকায় উদ্ধারকাজ চালানোর সময় সাম্বার দেওয়া সংকেতের ভিত্তিতে ২০টি দেহের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু কী ভাবে এত নিখুঁত ভাবে কাজ করে সাম্বা? তার প্রশিক্ষণের দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের বক্তব্য, সাম্বা ধ্বংসস্তূপের উপর দিয়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে যেত এবং মাটি শুঁকত। কোথাও মানুষের দেহের গন্ধ পেলে আচমকাই থেমে যেত সে। এরপর জোরে ডাকতে শুরু করত। সেটিই ছিল তার হ্যান্ডলারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংকেত।সাম্বার সংকেত পাওয়ার পর নিরাপত্তারক্ষীরা সেই জায়গায় পৌঁছে মাটি খুঁড়ে দেখতেন। অনেক সময় সেখান থেকেই উদ্ধার হয়েছে দেহ। সাম্বার কাজের সময় সবসময় তার সঙ্গে থাকেন এক জন প্রধান হ্যান্ডলার এবং এক জন সহযোগী। দুজনই নিরাপত্তারক্ষী। সাম্বার আচরণের অর্থ বুঝে সঠিক জায়গায় উদ্ধারকাজ শুরু করাই তাঁদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।সাম্বা সবসময় একই ভাবে সংকেত দেয় না। কখনও হাঁটতে হাঁটতে আচমকা থেমে যায়। কখনও কোনও নির্দিষ্ট জায়গার চারপাশে বার বার ঘুরতে থাকে। আবার কখনও মাটিতে বসে পড়ে পায়ের নখ দিয়ে মাটি খুঁড়তে শুরু করে। তার প্রতিটি আচরণই আসলে একটি সংকেত। সেই সংকেতের অর্থ বুঝতে পারেন শুধু তার সঙ্গে কাজ করা হ্যান্ডলার এবং সহযোগী।এই ভাবেই কাদামাটি এবং ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দিনের পর দিন কাজ করে চলেছে সাম্বা। নিখোঁজদের সন্ধানে তার ভূমিকা এখন নেপালের উদ্ধারকারী দলের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।নেপালের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী সাম্বার মতো আরও পাঁচটি প্রশিক্ষিত সারমেয়কে উদ্ধারকাজে নামিয়েছিল। পাশাপাশি নেপাল সেনার তরফেও আরও ছটি সারমেয়কে কাজে লাগানো হয়েছে। বিপর্যয়ের পর উদ্ধারকাজ যত দীর্ঘ হচ্ছে, প্রশিক্ষিত এই সারমেয়দের ভূমিকা ততই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

প্রাদার পর এবার রালফ লরেন! ভারতীয় নকশা ‘চুরি’র অভিযোগে তোলপাড়

কিছুদিন আগেই নকশা চুরির অভিযোগ উঠেছিল প্রাদার বিরুদ্ধে। এ বার একই ধরনের অভিযোগের মুখে আন্তর্জাতিক ফ্যাশন ব্র্যান্ড রালফ লরেন। ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের নকশা ব্যবহার করে যথাযথ স্বীকৃতি না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সংস্থাটির বিরুদ্ধে। বিষয়টি নিয়ে সমাজমাধ্যমে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক।সম্প্রতি রালফ লরেনের একটি গোলাপি পোশাক প্রকাশ্যে এসেছে। সেই পোশাকে ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের ছোঁয়া স্পষ্ট বলে দাবি করেছেন ফ্যাশন জগতের অনেকে। কিন্তু পোশাকটির বর্ণনায় ভারত বা ভারতীয় কারিগরদের কোনও উল্লেখ নেই। সেখানে শুধু হাতের কাজ করা সজ্জা হিসাবে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। আর তা নিয়েই ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।১২ সেপ্টেম্বর রালফ লরেনের সমাজমাধ্যম পাতায় পোশাকটির ছবি প্রকাশ করা হয়। পোশাক তৈরির কাপড় এবং সুতো নিয়ে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হলেও হাতের কাজের বিষয়ে মাত্র একটি শব্দে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, পোশাকটির নকশায় যদি কোনও দেশের ঐতিহ্যবাহী শিল্পের প্রভাব থাকে, তা হলে সেই শিল্প এবং কারিগরদের যথাযথ পরিচয় দেওয়া হল না কেন?এই বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন ফ্যাশন ডিজাইনার প্রখর রাও সিং চান্ডেল। তাঁর বক্তব্য, পোশাকের কাপড় নিয়ে দীর্ঘ বিবরণ দেওয়া হলেও যে কারিগররা সূক্ষ্ম হাতের কাজ করেছেন, তাঁদের শিল্পকে একটি অস্পষ্ট শব্দের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।রালফ লরেনের প্রচারে বলা হয়েছিল, প্রতিটি পোশাকের যেন নিজস্ব ইতিহাস ও চরিত্র থাকে। সেই কথাকেই সামনে রেখে প্রখর প্রশ্ন তুলেছেন, সেই পোশাকে আসলে কার ইতিহাস এবং কার চরিত্র তুলে ধরা হচ্ছে?প্রখরের দাবি, বিতর্কিত পোশাকটিতে ভারতের ঐতিহ্যবাহী সূচিশিল্প জরদৌসির ব্যবহার রয়েছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, লখনউ এবং আশপাশের কয়েকটি জেলায় দীর্ঘদিন ধরে এই শিল্পের চর্চা চলছে। বহু কারিগর এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত। তাই এটিকে শুধুমাত্র পোশাকের অলঙ্করণ হিসেবে দেখলে সেই শিল্পের সঙ্গে জড়িত মানুষের ইতিহাস ও পরিশ্রমকে আড়াল করা হয়।এই প্রসঙ্গে প্রখর গত বছর প্রাদাকে ঘিরে ওঠা বিতর্কের কথাও তুলে ধরেছেন। তাঁর অভিযোগ, ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী কোলাপুরি চটির নকশা ব্যবহার করা হলেও সেটিকে শুধুমাত্র চামড়ার স্যান্ডেল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। পরে মহারাষ্ট্রের একটি বাণিজ্য সংগঠনের তরফে চিঠি দেওয়ার পর ভারতের নাম যুক্ত করা হয় বলে দাবি তাঁর।নিজের দলের সঙ্গে কাজ করা জরদৌসি শিল্পী বাবলু ভাইয়ের কথাও উল্লেখ করেছেন প্রখর। তাঁর বক্তব্য, এই ধরনের শিল্পের পিছনে বহু কারিগরের বছরের পর বছর পরিশ্রম রয়েছে। তাঁদের পরিচয় বাদ দিয়ে শুধু নকশাকে ব্যবহার করলে সেই শ্রমের যথাযথ মূল্যায়ন হয় না।রালফ লরেনের এই পোশাক নিয়ে শুধু জরদৌসি নয়, আরও একটি ভারতীয় সূচিশিল্প আরির ব্যবহার নিয়েও সমাজমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে। বহু নেটিজেনের দাবি, ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের ঐতিহ্যবাহী শিল্প বিদেশি ফ্যাশন সংস্থাগুলি ব্যবহার করলেও অনেক সময় সেই শিল্প বা কারিগরদের যথাযথ স্বীকৃতি দেওয়া হয় না।কোলাপুরি চটি ছাড়াও বাঁধনি ছাপ, তামবুরা, কুমকোর মতো বিভিন্ন ভারতীয় নকশা নিয়েও বিদেশি ফ্যাশন সংস্থার বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ তুলেছেন সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারীদের একাংশ। তাঁদের বক্তব্য, ভারতের প্রত্যন্ত অঞ্চলের বহু কারিগর নিজেদের পরিশ্রমে এই শিল্পগুলিকে টিকিয়ে রেখেছেন। তাঁদের পরিচয় এবং প্রাপ্য সম্মান না পেলে ধীরে ধীরে এই ঐতিহ্য হারিয়ে যেতে পারে।ফলে রালফ লরেনের নতুন পোশাক ঘিরে বিতর্কটি শুধু একটি নকশা বা পোশাকের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না। ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের ব্যবহার, কারিগরদের স্বীকৃতি এবং আন্তর্জাতিক ফ্যাশন সংস্থাগুলির দায়িত্ব নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
দেশ

মেটার উপর কেন্দ্রের চাপ, অবশেষে বড় সিদ্ধান্ত! নজরে শিশুদের ক্ষতিকারক কনটেন্ট

প্রায় দুমাস ধরে আলোচনা ও বৈঠকের পর কেন্দ্রের দাবি মেনে কাজ করতে রাজি হয়েছে মেটা। সরকারি সূত্রের খবর, শিশুদের জন্য ক্ষতিকারক এবং আপত্তিকর কনটেন্টের বিষয়ে প্রশাসনকে তথ্য জানাতে রাজি হয়েছে মার্ক জুকারবার্গের সংস্থা। শিশুদের জন্য সমাজমাধ্যমকে আরও নিরাপদ করে তোলার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে প্রায় দুমাস আগে মেটার উপর চাপ বাড়ানো হয়েছিল। ডিপফেক, বিকৃত তথ্য এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের মতো কনটেন্ট রুখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল সংস্থাকে। পাশাপাশি মেটার অ্যালগরিদমে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা এবং ক্ষতিকারক কনটেন্ট মোকাবিলায় কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তার বিস্তারিত পরিকল্পনাও জমা দিতে বলা হয়েছিল।তবে শুরু থেকেই শিশুদের নিয়ে তৈরি আপত্তিকর এবং ক্ষতিকারক কনটেন্ট বন্ধ করার উপর বিশেষ জোর দিয়েছিল কেন্দ্র। দীর্ঘ আলোচনা ও একাধিক বৈঠকের পর সেই দাবিতে মেটা সম্মত হয়েছে বলে সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, শিশুদের জন্য ক্ষতিকারক কনটেন্ট চিহ্নিত হওয়ার পর সেই বিষয়ে প্রশাসনকে জানাবে মেটা। এরপর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে প্রশাসন। শুধু মেটা নয়, আগামী দিনে অন্যান্য সমাজমাধ্যম সংস্থাকেও একই ধরনের ক্ষতিকারক কনটেন্ট দ্রুত শনাক্ত এবং আটকানোর আওতায় আনার চেষ্টা করছে কেন্দ্র।শিশু নির্যাতনের কনটেন্টের পাশাপাশি ডিপফেক, ভুয়ো খবর এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচার দ্রুত শনাক্ত করার বিষয়েও মেটাকে সতর্ক করেছিল কেন্দ্র। সমাজমাধ্যমে এই ধরনের কনটেন্টের ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে প্রযুক্তিগত ব্যবস্থার উপরও জোর দেওয়া হয়েছে বলে সরকারি সূত্রে খবর।এর আগে প্রধানমন্ত্রীর একটি সমাজমাধ্যম পোস্ট ঘিরে কেন্দ্র ও মেটার মধ্যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। নিটের প্রশ্নফাঁস নিয়ে আন্দোলনের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশের তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছিলেন। সেখানে প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল।কিন্তু পরে প্রধানমন্ত্রীর সেই ভিডিও সমাজমাধ্যম থেকে সরিয়ে দেয় মেটা। বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের তরফে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়। পরে মেটার পক্ষ থেকে জানানো হয়, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই ভিডিওটি সরানো হয়েছিল। ক্ষমা চেয়ে পরে পোস্টটি ফের প্রকাশ করা হয়।ঘটনার পর মেটার শীর্ষ কর্তাদের তলব করেছিল কেন্দ্র। সমাজমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন ধরনের কনটেন্টের উপর আরও কড়া নজরদারির বার্তাও দেওয়া হয়েছিল। সেই ঘটনার পর থেকেই কেন্দ্র এবং মেটার মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে চাপানউতোর চলছিল।এখন শিশুদের জন্য ক্ষতিকারক কনটেন্ট প্রশাসনের নজরে আনার বিষয়ে মেটার সম্মতির খবর সামনে আসায় সেই টানাপোড়েন অনেকটাই কমেছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবে কী ভাবে কার্যকর হবে এবং অন্যান্য সমাজমাধ্যম সংস্থার ক্ষেত্রেও কেন্দ্র একই ব্যবস্থা নিতে পারে কি না, তা নিয়ে নজর থাকবে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
বিদেশ

ভ্রমণের ভিডিও করতেই কি বিপদ? আফগানিস্তানে কেরলের মহিলা ভ্লগারের ‘গ্রেপ্তার’ ঘিরে চাঞ্চল্য

কেরলের জনপ্রিয় মহিলা ভ্লগার অরুণিমা আফগানিস্তান সফরে গিয়ে বিপদে পড়েছেন বলে দাবি করেছেন। সোমবার সোশাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে তিনি জানান, বামিয়ান শহরে তাঁকে মুজাহিদিনরা গ্রেপ্তার করেছে। একই সঙ্গে ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য সাহায্য চেয়েছেন তিনি। তাঁর এই পোস্ট প্রকাশ্যে আসতেই উদ্বেগ ছড়িয়েছে।ব্যাকপ্যাকার অরুণিমা নামে সোশাল মিডিয়ায় পরিচিত ওই তরুণী কিছুদিন আগে ভারত থেকে আফগানিস্তানে যান। সেখানে বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখার পাশাপাশি নিয়মিত ভিডিও এবং ছবি প্রকাশ করছিলেন। সোমবার একটি পোস্টে অরুণিমার দাবি, আফগানিস্তানে গিয়ে তিনি বিপদে পড়েছেন এবং বামিয়ান শহরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সাহায্য করার জন্যও আবেদন জানিয়েছেন তিনি। নিজের সোশাল মিডিয়া পাতায় স্থানীয় প্রশাসনের কাছ থেকে পাওয়া বলে দাবি করা গ্রেপ্তারি সংক্রান্ত কিছু নথিও প্রকাশ করেছেন অরুণিমা। ফলে তাঁর দাবি ঘিরে স্বাভাবিক ভাবেই চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।তবে ঠিক কী কারণে অরুণিমাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। গ্রেপ্তারের পরিস্থিতি নিয়েও বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি। স্থানীয় প্রশাসন বা আফগানিস্তানের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তরফে কী বলা হয়েছে, সেটিও এখনও পরিষ্কার নয়।এই ঘটনায় ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে তাৎক্ষণিক কোনও প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি। অরুণিমার প্রকাশ করা পোস্ট এবং নথির সত্যতাও স্বাধীন ভাবে যাচাই করা হয়নি। ফলে তাঁর দাবি কতটা সত্য, তা নিয়েও আপাতত ধোঁয়াশা রয়েছে।গত কয়েকদিন ধরে আফগানিস্তানের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরছিলেন অরুণিমা। সেখান থেকে প্রকাশিত একাধিক ভিডিওতে আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে দেখা যায় তাঁকে। বিশেষ করে তালিবান শাসনে মহিলাদের জীবন, তাঁদের উপর থাকা বিভিন্ন বিধিনিষেধ এবং ভয়-আতঙ্কের কথা তুলে ধরেছিলেন তিনি।আফগানিস্তানের সাধারণ মানুষের সঙ্গেও সময় কাটানোর ছবি এবং ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন অরুণিমা। সেই সফরের মধ্যেই হঠাৎ তাঁর গ্রেপ্তারের দাবি সামনে আসায় বিষয়টি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তিনি কী কারণে আটক হয়েছেন, কোথায় রয়েছেন এবং ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ হয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।সব মিলিয়ে কেরলের এই জনপ্রিয় ভ্লগারের আফগানিস্তান সফর ঘিরে তৈরি হয়েছে ব্যাপক রহস্য। অরুণিমার দাবি এবং প্রকাশ করা নথি যাচাই হওয়ার পরই গোটা ঘটনার প্রকৃত ছবি স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
কলকাতা

বামেদের নবান্নে ডেকে পুষ্পাঞ্জলির আমন্ত্রণ! গণেশ পুজোর মঞ্চে শুভেন্দুর বিস্ফোরক বার্তা

গণেশ পুজোর সূচনা করে বামেদের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ধর্মকে আফিং বলা এবং নিজেদের নাস্তিক বলে পরিচয় দেওয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে কোনও উপদেশ নেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে বাগেশ্বর বাবা বিতর্ক, পুজোকে শারদোৎসব বলা নিয়ে বিতর্ক এবং গণেশ পুজোর বিস্তারসবকিছু নিয়েই নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন শুভেন্দু।সোমবার গণেশ পুজোর সূচনা করে শুভেন্দু বলেন, সনাতন ধর্মের রীতিনীতি নিয়ে বাইরের কারও কাছ থেকে উপদেশ নেওয়ার প্রয়োজন নেই। তাঁর বক্তব্য, কোনও দিন নিরামিষ খাবার দিয়ে পুজো হয়, আবার কোনও দিন মাছ দিয়ে দেবতাকে ভোগ দেওয়া হয়। সনাতন ধর্মের মানুষ কোন পুজোয় কী নিয়ম মানবেন, তা তাঁরা নিজেরাই জানেন।বাগেশ্বর বাবা বিতর্কের প্রসঙ্গ টেনে শুভেন্দু বলেন, পুজোর পদ্ধতি, পুজোর পাঠ এবং পঞ্জিকার নিয়ম বদলে একসময় ধর্মীয় অনুষ্ঠানকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের রূপ দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, প্রাদেশিকতার নামে মানুষের মধ্যে বিভাজন তৈরির চেষ্টা হয়েছিল।এর আগে বালিগঞ্জে ভারত সেবাশ্রম সংঘের পুজোর সূচনা করেন শুভেন্দু। সেখানেও পুজো এবং শারদোৎসব নিয়ে চলা বিতর্কের প্রসঙ্গ ওঠে। কমিউনিস্ট নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যাঁদের পুজো নিয়ে আপত্তি রয়েছে, তাঁরা নবান্নে এসে তাঁর সঙ্গে বিশ্বকর্মা পুজোয় পুষ্পাঞ্জলি দিতে পারেন।শুভেন্দুর বক্তব্য, তিনি বিশ্বকর্মা পুজোর দিন নবান্নে পুষ্পাঞ্জলি দেবেন। কমিউনিস্ট নেতাদেরও সেখানে এসে একসঙ্গে পুষ্পাঞ্জলি দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তাঁর কটাক্ষ, তাতে তাঁরাও পরিবর্তনের স্বাদ পাবেন।পুজোর নাম নিয়ে যে বিতর্ক চলছে, তার মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যকে রাজনৈতিক ভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে পুজোকে ধর্মীয় অনুষ্ঠান না কি বৃহত্তর সাংস্কৃতিক উৎসব হিসাবে দেখা হবে, তা নিয়ে যে রাজনৈতিক তরজা চলছে, সেই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে তাঁর বক্তব্য।এ দিন বামেদের আক্রমণ করার পাশাপাশি আগের সরকারের আমলে পিতৃপক্ষে দুর্গাপুজোর সূচনা নিয়েও কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। তাঁর মন্তব্য, পিতৃপক্ষে কাঁচি নিয়ে বের হওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই।দেশবিরোধী শক্তি নিয়েও এ দিন সতর্ক করেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, অসুরদের থেকে সাবধানে থাকতে হবে এবং তাঁদের থেকে দূরে থাকতে হবে। একই সঙ্গে দেশবিরোধী শক্তি এবং টুকরে টুকরে গ্যাং থেকেও দূরে থাকার বার্তা দেন তিনি।গণেশ পুজো কেন বাড়ছে, তা নিয়ে যাঁরা প্রশ্ন তুলছেন, তাঁদেরও এ দিন পাল্টা জবাব দেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, গণপতি পুজো শুধু মহারাষ্ট্রের বিষয় নয়। সনাতন ধর্মের ঐক্যের মধ্যেই এর বিস্তার রয়েছে।শুভেন্দুর দাবি, একসময় মারাঠি, গুজরাতি, বিহারি-সহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি প্রাচীর তুলে রাখা হয়েছিল। তাঁর কথায়, সেই প্রাচীর ভেঙে দেওয়া হয়েছে। গণেশ পুজোর বিস্তারকে তিনি সনাতনীদের ঐক্যের প্রতীক হিসাবেই তুলে ধরেন।গণেশ পুজোর সূচনা থেকে বাগেশ্বর বাবা বিতর্ক, পুজোর নাম নিয়ে রাজনৈতিক তরজা থেকে বামেদের নবান্নে পুষ্পাঞ্জলির আমন্ত্রণসব মিলিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর সোমবারের বক্তব্য ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
রাজ্য

পুজোর পরই কি বাড়ছে বাসভাড়া? মন্ত্রীর কথায় বড় ইঙ্গিত, কত হতে পারে ন্যূনতম ভাড়া?

পুজোর পর রাজ্যে বাসভাড়া বাড়তে পারে। সরকারি ও বেসরকারি বাসের পাশাপাশি দূরপাল্লার বাসের ভাড়াতেও পরিবর্তন হতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে। তবে পুজোর আগে ভাড়া বাড়ানোর কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে না। সোমবার বেসরকারি বাস মালিকদের সঙ্গে বৈঠকের পর এমনটাই জানিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিং।বৈঠক শেষে পরিবহণমন্ত্রী বলেন, পুজোর আগে বাসভাড়া নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত হবে না। তবে পুজোর পরে বেসরকারি বাসের ভাড়া বাড়ানো নিয়ে আলোচনা হতে পারে। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে একই ভাড়া চলছে। ২০১৮ সাল থেকে বাসভাড়ার তালিকায় কোনও পরিবর্তন হয়নি। তাই অনির্দিষ্টকাল ভাড়া না বাড়িয়ে রাখা সম্ভব নয়।বাসভাড়া বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা বলতে গিয়ে বাম আমলেরও সমালোচনা করেন পরিবহণমন্ত্রী। তাঁর দাবি, সেই সময় নেতারা নিজেদের গাড়িতে যাতায়াত করলেও বাসের ভাড়া বাড়ানো হত না। এর ফলে ধীরে ধীরে বাসের সংখ্যা কমে গিয়েছিল। বর্তমান সরকার সেই পথে হাঁটতে চায় না বলেও জানান তিনি। সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য আরও বেশি বাস রাস্তায় নামানোর পাশাপাশি পরিষেবার মান উন্নত করার কথাও বলেন মন্ত্রী।২০১৮ সালে শেষ বার সরকারি ভাবে বাসভাড়ার তালিকা পরিবর্তন হয়েছিল। তখন ন্যূনতম ভাড়া ছিল ৭ টাকা। যদিও কোভিডের সময় থেকে অনেক ক্ষেত্রে ন্যূনতম ভাড়া ১০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। সেই পরিবর্তনের কোনও সরকারি বিজ্ঞপ্তি হয়নি বলে জানা গিয়েছে। ফলে আগামী দিনে বাসভাড়া বাড়লে ন্যূনতম ভাড়া কত হবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।বাস মালিকদের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি ছিল টোল নিয়ে। তাঁদের অভিযোগ, একই জেলার মধ্যেও বিভিন্ন জায়গায় আলাদা হারে টোল নেওয়া হচ্ছে। এই সমস্যা মেটাতে সব টোল প্লাজায় নির্দিষ্ট হারে টোল চালুর বিষয়ে উদ্যোগী হয়েছে রাজ্য। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে ছদিনের সময় দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ওড়িশার মতো নিয়ম চালুর কথাও জানিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী।বড় রাস্তায় টোটো চলাচল নিয়েও কড়া অবস্থানের কথা জানিয়েছেন তিনি। মূল রাস্তায় টোটো চলাচল বন্ধ করা হবে বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন মন্ত্রী। টোটো চলাচল নিয়ে যে সমস্যা তৈরি হয়েছে, তার সমাধানে একটি নির্দিষ্ট নিয়ম চালু করার প্রয়োজন রয়েছে বলেও জানান তিনি।বাস মালিকদের দীর্ঘদিনের আরও একটি সমস্যা ছিল রাতের বাস রাখার জায়গা নিয়ে। বৈঠকের পর সেই সমস্যা মিটেছে বলে জানিয়েছেন বাস মালিকদের প্রতিনিধিরা। একই সঙ্গে যেসব বাস মালিকের দীর্ঘদিনের কর বকেয়া রয়েছে, তাঁদের জরিমানা কিছুটা কমানোর বিষয়েও আশ্বাস দিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী। তবে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি।এর মধ্যেই সামনে দুর্গাপুজো। পুজোর সময় রাস্তায় মানুষের ভিড় এবং যাতায়াতের চাপ অনেকটাই বেড়ে যায়। সেই পরিস্থিতি সামাল দিতে পুজোর আগেই আরও প্রায় ৩০০ সরকারি বাস রাস্তায় নামানো হবে বলে জানিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী। ফলে শহর ও শহরতলির গণপরিবহণ ব্যবস্থায় কিছুটা স্বস্তি মিলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।বৈঠক নিয়ে খুশি বাস মালিকদের সংগঠনগুলিও। সারা বাংলা বাস-মিনিবাস সমন্বয় সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাহুল চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, পরিবহণমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে এবং তাঁরা খুশি। টোলের সমস্যা প্রায় এক সপ্তাহের মধ্যে মিটিয়ে দেওয়ার আশ্বাসও মন্ত্রী দিয়েছেন বলে জানান তিনি।বাসভাড়া বাড়ানো নিয়েও পরিবহণমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাহুল। তাঁর আশা, পুজোর পর এবার বাসভাড়া বাড়ানো হবে। একই সুর শোনা গিয়েছে সিটি সাবার্বান বাস সার্ভিসেসের সাধারণ সম্পাদক টিটু সাহার বক্তব্যেও। জয়েন্ট কাউন্সিল অফ বাস সিন্ডিকেটের সাধারণ সম্পাদক তপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, দীর্ঘদিনের নাইট পার্কিংয়ের সমস্যা মিটিয়ে দেওয়ায় তাঁরা সন্তুষ্ট। বৈঠকে খুশি ওয়েস্টবেঙ্গল বাস-মিনিবাস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ নারায়ণ বসুও।সব মিলিয়ে পুজোর আগে যাত্রীদের জন্য বাড়তি সরকারি বাস নামানোর সিদ্ধান্ত কিছুটা স্বস্তি দিলেও পুজোর পর বাসভাড়া বাড়তে পারেপরিবহণমন্ত্রীর বক্তব্যে সেই সম্ভাবনাই জোরালো হয়েছে। তবে ভাড়া কত বাড়বে বা নতুন ন্যূনতম ভাড়া কত হবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। ফলে পুজোর পর রাজ্যের বাসযাত্রীদের পকেটে কতটা অতিরিক্ত চাপ পড়বে, এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
রাজ্য

প্রার্থী ঘোষণার পরেও কংগ্রেসের দরজায় মমতা! নন্দীগ্রাম নিয়ে কেন এত মরিয়া তৃণমূল?

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনের মনোনয়ন পর্ব শুরু হতেই বঙ্গ রাজনীতিতে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর, বিজেপিকে আটকাতে দুই কেন্দ্রে একসঙ্গে লড়াই করার জন্য কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে জোটের প্রস্তাব দিয়েছেন কালীঘাট তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ বিষয়ে তিনি এআইসিসির অন্যতম সাধারণ সম্পাদক কেসি বেনুগোপালকে ফোন করেছিলেন বলে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, ফোনে মমতা নন্দীগ্রাম আসনটি কংগ্রেসকে ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেন। পাশাপাশি রেজিনগরে কালীঘাট তৃণমূলের প্রার্থীকে কংগ্রেস সমর্থন করুক, সেই আবেদনও জানান তিনি। এমনকি নন্দীগ্রামে কালীঘাট তৃণমূলের ঘোষিত প্রার্থীকে সরিয়ে নেওয়ার কথাও তিনি জানিয়েছিলেন বলে খবর।এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই প্রশ্ন উঠেছে, তা হলে কি নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে কংগ্রেস ও কালীঘাট তৃণমূলের মধ্যে জোট হতে চলেছে? তবে সূত্রের খবর, মমতার প্রস্তাব গ্রহণ করেনি কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। বরং প্রদেশ কংগ্রেসের তরফে পাল্টা বার্তা দেওয়া হয়েছে, জোট চাইলে দুই আসনেই কালীঘাট তৃণমূলকে কংগ্রেসকে সমর্থন করতে হবে।প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার জানিয়েছেন, কালীঘাট তৃণমূল যদি সত্যিই জোট চায়, তা হলে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরদুই আসনেই কংগ্রেসকে সমর্থন করা উচিত। তাঁর বক্তব্য, এমনটা হলে ভবিষ্যতে জোটের রাস্তা আরও খোলা থাকতে পারে।আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন। ১৬ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। ইতিমধ্যেই দুই কেন্দ্রেই কংগ্রেস এবং কালীঘাট তৃণমূল প্রার্থী ঘোষণা করেছে। একই সঙ্গে ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলও দুই আসনে প্রার্থী দিয়েছে। ফলে তৃণমূলের দুই শিবিরের মধ্যে প্রতীক ও রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়াইয়ের পাশাপাশি কংগ্রেস ও বিজেপির লড়াইও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলের নন্দীগ্রামের প্রার্থী এহতেশামুল হক। রেজিনগরে তাঁদের প্রার্থী সফিউজ্জামান শেখ। অন্য দিকে, কালীঘাট তৃণমূল নন্দীগ্রামে সঞ্চিতা প্রধান দে এবং রেজিনগরে রবিউল আলম চৌধুরীকে প্রার্থী করেছে।নন্দীগ্রামে সঞ্চিতা প্রধান দে-কে প্রার্থী করা নিয়েও স্থানীয় স্তরে কিছুটা অস্বস্তি রয়েছে বলে সূত্রের দাবি। তাঁর নাম ২০১৪ সালের শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতির মামলায় জড়িয়েছিল বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। সেই কারণেই প্রার্থীর ভাবমূর্তি নিয়ে দলের স্থানীয় স্তরে প্রশ্ন উঠেছে বলে খবর। যদিও প্রকাশ্যে এখনও কোনও বড় ধরনের ক্ষোভ দেখা যায়নি।এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, প্রার্থী বাছাই নিয়ে অস্বস্তির কারণেই কি মমতা কংগ্রেসের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা করলেন? নাকি মূল লক্ষ্য ছিল নন্দীগ্রামে বিজেপিকে আটকাতে বিরোধী ভোটকে এক জায়গায় আনা? রাজনৈতিক মহলে এই দুই সম্ভাবনা নিয়েই জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।সোমবার সন্ধ্যায় কেসি বেনুগোপালকে ফোন করে মমতা বিজেপির বিরুদ্ধে একজোট হয়ে লড়াই করার প্রস্তাব দেন বলে সূত্রের খবর। নন্দীগ্রাম কংগ্রেসকে ছেড়ে দেওয়ার পাশাপাশি রেজিনগরে কালীঘাট তৃণমূলকে সমর্থনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কংগ্রেসের তরফে সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।রেজিনগরে কংগ্রেসের প্রার্থী মহম্মদ আব্দুল্লাহিল কাফি। নন্দীগ্রামে কংগ্রেসের প্রার্থী মিলন প্রধান। রেজিনগরে ইতিমধ্যেই কংগ্রেসের প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সেই সময় উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার।মমতার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পিছনে পুরনো রাজনৈতিক সম্পর্কের কথাও সামনে আনছে কংগ্রেস। কংগ্রেস নেতৃত্বের বক্তব্য, ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বামেদের সরাতে তৎকালীন সময়ে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করেছিল তৃণমূল। সেই জোটের সুবিধা নিয়ে ক্ষমতায় আসার পর ২০১২ সালে কংগ্রেসের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন মমতা। এরপর রাজ্যে তৃণমূলের শাসনকালে কংগ্রেসের নেতা-কর্মীদের উপর হামলা, মিথ্যা মামলা এবং খুনের মতো একাধিক অভিযোগ উঠেছে বলে দাবি কংগ্রেসের।মমতার এবারের জোটের প্রস্তাব সামনে আসার পর কংগ্রেসের নিচুতলার নেতা-কর্মীদের মধ্যেও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে বলে সূত্রের খবর। সেই ক্ষোভকে গুরুত্ব দিয়েই কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব প্রস্তাবটি ফিরিয়ে দিয়েছে বলে দলীয় সূত্রে দাবি করা হয়েছে।ফলে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচনে আপাতত আলাদা পথেই লড়াই করতে চলেছে কংগ্রেস ও কালীঘাট তৃণমূল। তার উপর দুই কেন্দ্রেই তৃণমূলের দুই শিবিরের প্রার্থী থাকায় লড়াই আরও জটিল হয়েছে। মনোনয়ন পর্ব শেষ হওয়ার পর রাজনৈতিক সমীকরণ কোন দিকে যায়, নন্দীগ্রামে বিজেপি, কংগ্রেস এবং তৃণমূলের দুই শিবিরের লড়াই কোন নতুন মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal